Breaking news

এখানে প্রকাশিত প্রত্যেকটি লেখাকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ, গ্রহণযোগ্য তথা ব্যবহারিক করার জন্য আপনার মতামত অত্যন্ত জরুরী। আপনার মতামত সংশ্লিষ্ট লেখার নীচে আমরা প্রকাশ করব। এর পাশাপাশি আপনিও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত লেখা পাঠাতে পারেন জনপ্রিয়তা নিরিখে শ্রেষ্ঠ লেখা কে আমরা সম্মানিত করব। আপনার মতামত এবং লেখা পাঠানোর ক্ষেত্রে বাঁদিকে নীচে দেওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যবহার করুন।

মানসিক এবং শারীরিকভাবে সুস্থ জীবনের জন্য সঠিক ঘুম অপরিহার্য

 ভালো ঘুম কোনো বিলাসিতা নয় বরং এটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত জীবনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি,  যদি না তা কুম্ভকর্ণের মতো অলসতা, জড়তা, অজ্ঞানতা ও নিয়ন্ত্রণহীন ভোগবিলাসের বিষয় হয়। 



সুস্থ থাকতে সাধারণত আমরা খাবার ও ব্যায়ামের দিকে নজর দিই, কিন্তু কখনওই ভুলেগেলে হবে না  ভালো ঘুম শরীর ও মনের অন্যতম বড় ওষুধ। সঠিক  ঘুম শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করে, মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস ও মানসিক চাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।


তাহলে কীভাবে বুঝবেন আপনার ঘুম সত্যিই ভালো হয়েছে? উত্তরটি খুব সহজ। যদি ২০–৩০ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন, রাতে বারবার ঘুম না ভাঙে, সকালে উঠে সতেজ ও কর্মক্ষম অনুভব করেন এবং দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব না থাকে তাহলে  আপনার ঘুমের মান ভালো।


যাদের ঘুম আসে না বা উপযুক্ত গুণসম্পন্ন ঘুমের অভাব আছে তারা  নিয়মিত  কয়েকটি সাধারণ ঘরোয়া অভ্যেসের মাধ্যমে  ধীরে ধীরে ভালো ঘুমের ভিত্তি তৈরি করতে পারেন যেমন নিয়মিত একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা, ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভির স্ক্রিন এড়িয়ে চলা , সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা–কফি বর্জন করা , হালকা রাতের খাবার খাওয়া এবং প্রতিদিন কিছুটা শারীরিক ব্যায়াম  করা এক্ষেত্রে অন্তত নিয়ম করে প্রতিদিন ত্রিশ মিনিট হাঁটা যেতে পারে।


তবে যদি সপ্তাহে তিন বা তার বেশি দিন, টানা তিন মাস ধরে ঘুমের সমস্যা থাকে, নাক ডাকার সঙ্গে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম পায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Chat